• Home
  • All News
  • ফ্রেশ গ্রেজুয়েটদের জন্য ফ্লেমেন্টস’র (Flaments) আয়োজন!

ফ্রেশ গ্রেজুয়েটদের জন্য ফ্লেমেন্টস’র (Flaments) আয়োজন!

বিপুল চন্দ্র ঘোষ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ঃ 

ফ্লেমেন্টস (Flaments) একটি সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠান। ফ্লেমেন্টস সদ্য গ্রেজুয়েট সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করে থাকে। নতুন পাশ করা শিক্ষার্থীরা যাতে চাকুরির বাজারের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারেন সে জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়াই তাদের উদ্দেশ্য। প্রতিষ্ঠানটির সিইও হচ্ছেন শাখাওয়াত পারভেজ।


অধিকাংশ সদ্যপাশ করা গ্রেজুয়েটদের যদি জিজ্ঞেস করা হয় -গ্রেজুয়েশন তো শেষ, এখন কি করবে?

ধুমায়ে চাকরির জন্য এপ্লাই করবো, তাছাড়া আর কি? আমার যত দ্রুত সম্ভব একটা চাকরি দরকার।


তা, ভালোমত প্রস্তুতি নিয়েছ তো?

এত বছর পড়াশোনা করার পর আবার কিসের প্রস্তুতি? শুধু শুধু সময় নষ্ট করবো নাকি?


তা কোথায় কোন জবের জন্য এপ্লাই করলা?

হিসাব নাই, শ'খানেক এপ্লাই করছি, এত মনে থাকে নাকি?


লাস্ট কোথায় কোন পোষ্টে এপ্লাই করেছিলে?

কি যেন একটা কোম্পানির সেলসম্যান পদে সম্ভবত।


সে কি, তুমি না ফাইন্যান্স নিয়ে পড়াশোনা করলা?

চাকরি ই নাই, কি করবো? আমার যে কোন একটা চাকরি হলেই হলো।


তা, কোথাও কল পেয়েছ?

নাহ, রেফারেন্স ছাড়া কোথাও কলও পাওয়া যায়না।


কেন? এত মানুষ যারা নিয়মিত চাকরিতে ঢুকছে তারা সবাই কি রেফারেন্স এ ঢুকেছে নাকি?

কোন না কোন রেফারেন্স আছে নিশ্চয়ই।


এইটাই আমাদের চলমান রীতি। আমাদের বেশীরভাগই চাকরির আবেদনের আগে চাকরি পাবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা।


যারা এই তাড়াহুড়া করে চাকরি পেতে চায় তাদের চাকরি হয় সবার শেষে। সামান্য প্রস্তুতির অভাবে পিছিয়ে পড়া।


রেফারেন্সে এখন আর চাকরি হয়না, বড়জোর একটা কল পাওয়া যায়। বরং নিজ মেধায় যারা চাকরি পায় তারাই অনেক উন্নতি করে।


গ্রাজুয়েশন শেষে আসলেই কি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরির জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে? এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির সিইও শাখাওয়াত পারভেজ বলেন-


"অবশ্যই আছে! একটি ভাল মান সম্পন্ন সি ভি বানানো, কাভার লেটার লেখা, ইন্টারভিউ তে কি করবে কি করবেনা, কি ভাবে নিজেকে প্রেজেন্ট করবে, ক্রিটিকাল কোন প্রশ্নের উত্তর কি দিবে, ডিফারেন্ট সিচুয়েশন কি ভাবে হ্যান্ডেল করবে, ক্যারিয়ার নিয়ে কি ভাবে প্ল্যান করবে, কি ভাবে জীবন এর লক্ষ্য ঠিক করবে ও তা এচিভ করবে। এ সব কিছুর জন্যই যথাযথ প্রস্ততির প্রয়োজন।"


বাস্তবতা হলো, এ সংক্রান্ত ভালো মানের ট্রেইনিং খুব বেশী নেই।কিছু অভিজ্ঞ প্রফেশনাল মনে করে এই সদ্য গ্রাজুয়েট এবং চাকুরী প্রত্যাশিদের জন্য তাদের কিছু করার আছে। এবং তা শুধু ঢাকার গ্রাজুয়েটদের জন্য না, সারা দেশের গ্রাজুয়েটদের জন্য। এবং তারা একটি অনলাইন ট্রেইনিং প্রোগ্রাম ডিজাইন করেছে। এই একমাসের ভারচুয়াল ট্রেইনিং এ যা আছে -

১/ ক্যারিয়ার প্ল্যানিং এন্ড সেল্ফ ডেভেলপমেন্ট

২/ সি ভি রাইটিং টেকনিক এন্ড গাইডলাইন

৩/ কাভার লেটার রাইটিং টেকনিক এন্ড গাইডলাইন

৪/ ইন্টারভিউ টিপস এন্ড গাইডলাইন

এই চারটি ওয়ারকশপ এবং প্রেকটিস সেশন। সপ্তাহে দুই দিন সন্ধ্যা সাতটা থেকে দেড়- দুই ঘন্টার সেশন।


আর দুটো ট্রেইনিং-

৫/ ট্রেইনিং অন কমিউনিকেশন স্কিল

৬/ প্রফেশনাল এটিক্যাট


বোনাস টিপসঃ

১.বিডিজবস এবং লিংকডিন প্রফোইল মেকিং টিপস


আর বিশাল নেটওয়ার্ক এ যুক্ত হয়ে আগামী অনেক বছর বিভিন্ন সেবা ও পরামর্শ পাবার সুযোগ।


এই বিশাল এবং খুবই দরকারী কোস' এর ফী কত?

মাত্র এক হাজার টাকা!!


আগেই বলেছি এইটা একটা সি এস আর প্রোগ্রাম এর মত। যুব সমাজের জন্য কিছু করার চেষ্টাটাই আসল।

Most Read

Popular News